ঘোষণা

এক্সপ্রেসওয়ে: বদলে দেবে ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা

পুষ্পিতা জাহান ইসরাত | বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 126 বার

এক্সপ্রেসওয়ে: বদলে দেবে ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা

গেল মার্চ মাসে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েটি যানবাহন চলার জন্য খুলে দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ যোগাযোগব্যবস্থার এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

আগামী বছরের জুনেই যানবাহন চলার জন্য খুলে দেওয়া হবে এক্সপ্রেসওয়ের দ্বিতীয় অংশ তেঘরিয়া থেকে বাবুবাজার। যার দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটার। এতে সহজ হয়ে যাবে ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, এক্সপ্রেসওয়ের দ্বিতীয় অংশের মধ্যে আড়াই কিলোমিটারই এলিভেটেড (উড়াল)। ইতোমধ্যে এলিভেটেড অংশের কাজ প্রায় শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অংশ সমতলভূমিতে। এ অংশের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।

যানবাহন চলার জন্য খুলে দেওয়া হলে রাজধানীর দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা হবে আরও সহজ। দ্বিতীয় ফেজের এলিভেটেড অংশের সড়কের পাশে রেলিং বসানো ও লেন বিভাজন রঙের কাজ চলছে। বসানো হচ্ছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। টানা হচ্ছে বৈদ্যুতিক তার।

এক্সপ্রেসওয়ের এ অংশ চালু হলে ঢাকার দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চলের সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। খুলে দেওয়ার পর বাবুবাজার থেকে মাওয়া যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩০-৩৫ মিনিট।

সড়ক বিভাগ বলছে, এটা মূলত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেওয়েরই একটা অংশ।ফলে ওই প্রকল্পের যে ব্যয় ১১ হাজার কোটি টাকা, সেখান থেকেই ব্যয় করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে আগামী জুনের মধ্যেই তেঘরিয়া-বাবুবজার ব্রিজ অংশও খুলে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের এ অংশ খুলে দেওয়া হলে বাবুবাজার, নয়াবাজার, বসিলা, মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জের এক অংশের বাসিন্দাদের সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে।

তারা এর সুবিধা নিয়ে স্বল্পসময়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াত করতে পারবেন। একইভাবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ অত্যন্ত সহজ হবে।

ইতোমধ্যেএক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা ভোগ করছেন রাজধানীবাসী ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। কমেছে যাতায়াত ব্যয় ও ফুয়েল খরচ। কমেছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। প্রকল্পের এ অংশের কাজও চলছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে।

এটি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আশা দক্ষিণ জনপদের মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশিত ইচ্ছা পূরণ হবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে একদিকে রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণ জনপদের মানুষের যাতায়াতের যেমন উন্নয়ন হবে তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও অগ্রসর হবে এই জনপদ।

তাই দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ সরকারকে দিচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে আর্থসামাজিক ব্যবস্থার দৃশ্য পাল্টে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৯:৫৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত