ঘোষণা

মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশালে ৭ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক | বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 21 বার

মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশালে ৭ বছরের কারাদণ্ড

মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে রপ্তানি বা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করলে সাত বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সংসদে পাস হয়েছে।

বড় ও ছোট মাছে ড্রাম বা বালতিতে পানির সাথে মিশিয়ে বা ইনজেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে মাছের পেটে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান মেশানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মৎস্য পণ্যে ভেজাল দিলে বা খামারে নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার করলে অন্যূন দুই বছরের জেল ও সর্বোচ্চ আট লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বিলটি সংসদে পাশের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে ১৬ নভেম্বর তা ‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান-নিয়ন্ত্রণ) বিল-২০২০ নামে পাস হয়।

উল্লেখ্য, বরফেও রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয়। মাছ ৫-৭ দিন সংরক্ষণ থাকে। এতে ব্যাকটেরিয়াসহ কোন জীবাণুই মাছ পচাঁতে পারে না। কিন্তু এই রাসানিকযুক্ত মাছ রান্না করার পরও বিষাক্ততা কমে না।

রাসায়নিকযুক্ত এসব মাছ খেলে মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, বমি, চর্মরোগ, পাকস্থলি, কিডনি, লিভার ও ফুসফসের ক্যান্সার, চোখে জ্বালাপোড়া, দৃষ্টিহীনতা, চোখ নষ্ট হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা, বিকলাঙ্গ বাচ্চা প্রসব, অকালে গর্ভপাত, বুকে ব্যাথাসহ মানবদেহে বিভিন্ন জটিল রোগ হয়।

এছাড়াও চাষিরা মাছের দ্রুত বৃদ্ধি বা চিকিৎসায় হরমোন ও এন্টিবায়োটিকেরও ব্যবহার করে থাকেন যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

এছাড়া অনেকে ব্যয় কমাতে অনেকে মাছের খাদ্য হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা ও আবর্জনা ব্যবহার করে থাকে যেগুলো শরীরে প্রবেশ করে। এগুলো ধ্বংস হয় না।

এ জন্য ২০১৮ সালে মাছের খাবার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠাও নিষিদ্ধ করে সরকার।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৯:৫৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত