ঘোষণা

মৃত্যুর পর রাজশাহীতে এন্ড্রু কিশোরের প্রথম জন্মোৎসব

অনলাইন ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 23 বার

মৃত্যুর পর রাজশাহীতে এন্ড্রু কিশোরের প্রথম জন্মোৎসব

প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরের আজ ৬৬তম জন্মদিন। মৃত্যুর পরে জনপ্রিয় এই শিল্পীর প্রথম জন্মদিন এটি। তাকে স্মরণ করতে জন্ম শহর রাজশাহীর অলোকার মোড়ের এক রেস্তোরাঁয় জন্মোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

ওস্তাদ আব্দুল আজিজ বাচ্চুর কাছে হাতে খড়ি হয় এন্ড্রু কিশোরের। পরবর্তীতে সুরবাণী নামে একটি সংগীত বিদ্যালয়ে আধুনিক বাংলা, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি, লোকগীতি গানের তালিম নেন তিনি। আব্দুল আজিজ বাচ্চু স্মৃতি সংসদ জন্মোৎসবের আয়োজন করছে।

রাজশাহীতে ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর জন্ম হয় এন্ড্রু কিশোরের। গুণী এই শিল্পী চার দশক ধরে সিনেমার গানে জড়িয়ে ছিলেন। ১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ সিনেমায় ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন এন্ড্রু কিশোর।

এরপর মুকুল চৌধুরীর কথায় ও আলম খানের সুরে ‘এক চোর যায় চলে’ গানের পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— আমার সারা দেহ খেও গো মাটি; আমার বুকের মধ্যেখানে; হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস; আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন; ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে; আমার গরুর গাড়িতে; তোমায় দেখলে মনে হয়; পড়ে না চোখের পলক; প্রেমের সমাধি ভেঙে; সবাই তো ভালোবাসা চায়; ভালো আছি ভালো থেকো; ভালোবেসে গেলাম শুধু ভালোবাসা পেলাম না; বেদের মেয়ে জোছনা আমায়; তুমি ছিলে মেঘে ঢাকা চাঁদ; পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমার মাঝে খুঁজে পেয়েছি; আমি একদিন তোমায় না দেখিলে; জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প; তুমি আজ কথা দিয়েছো; কী যাদু করেছো বলো না; এক বিন্দু ভালোবাসা দাওনা।

আট বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এন্ড্রু কিশোর। ১৯৮২ সালে ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রের ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ গানের জন্য তিনি প্রথম জাতীয় পুরস্কার পান। সৈয়দ শামসুল হকের কথায় গানটির সুরকার ছিলেন আলম খান।

এরপর একেএকে ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯) চলচ্চিত্রে ‘আমি পথ চলি একা এই দুটি ছোট্ট হাতে’; পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৯১) চলচ্চিত্রে ‘দুঃখ বিনা হয় না সাধনা’; কবুল (১৯৯৬) চলচ্চিত্রে ‘এসো একবার দুজনে আবার’; আজ গায়ে হলুদ (২০০০) চলচ্চিত্রে ‘চোখ যে মনের কথা বলে’; সাজঘর (২০০৭) চলচ্চিত্রে ‘সাজঘর’; কী জাদু করিলা (২০০৮) চলচ্চিত্রে ‘কী জাদু করিলা’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গায়ক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

ভারতের খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণের সুরে ‘সুরজ’ নামে সিনেমায় এন্ড্রু কিশোর হিন্দি গান গেয়েছিলেন। এ ছাড়া, তার সুরে আরও দুটি বাংলা গান করেছেন। ২০২০ সালের ৬ জুলাই মারা যান কিংবদন্তি এই কণ্ঠশিল্পী।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ১১:১৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন পুনম পাণ্ডে

১২ সেপ্টেম্বর ২০২০