ঘোষণা

যেভাবে ভাসানচরের নামকরণ

রুকাইয়া জাহান মিম | শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 78 বার

যেভাবে ভাসানচরের নামকরণ

বহুবছর পর রোহিঙ্গাদের নিরাপদ জীবনের স্বাদ দিয়েছে ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প। মিয়ানমারে সব হারিয়ে কক্সবাজারের ক্যাম্পে কোনরকম দিন পার করেছেন। এখন নতুন করে সবকিছু গুছিয়ে নিচ্ছেন। সাময়িক আশ্রয় হলেও নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষাটা স্বস্তিকার করে তুলেছে ভাসানচর।

ভাসানচর পুরোপুরি জেগে উঠেছিল ২০ বছর আগে। হাতিয়া উপজেলায় মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত এই চরটি। ১৩ হাজার একরের ভাসানচরে যাওয়া যায় সবদিক দিয়েই। হাতিয়া সন্দ্বীপ আর নোয়াখালী থেকে প্রতিদিনই ট্রলারে আসে এখানে। এখানে এখন জমজমাট মহিষ চারণভূমি। এই ভূখন্ডের খোঁজ আগে পেয়েছিলেন রাখালেরা। ডাকতেন ঠেঙ্গারচর নামে।

ভাসানচর নাম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার অর্থ, সদাজাগ্রত সদানিশ্চিত ও সদানিরাপদ। এত বছরে বহু বারই উত্তাল হয়েছে বঙ্গোপসাগর। কিন্তু ভাসানচর থেকেছে অটুট ও অক্ষত।

রাখাল এনামুল বলেন, আমরা তো এখানে অনেকদিন থেকেই ঘর করে থাকছি। এখানে কোন ঝুঁকি নাই যদি জোয়ারের পানি উঠতো তাহলে তো আমাদের বাড়ি ঘর নিয়ে যেত। আমরা থাকতে পারতাম না। মহিষগুলো থাকতে পারত না।

রাকিবুল নামে অন্য একজন বলেন, আমাদের এখানে ৭-৮ হাজার মহিষ আছে। ৮ হাজার মহিষ আর আমরা কিভাবে এখানে থাকি। আমরা একশ‘রও ওপারে রাখাল আছি। এ রাখাল কিভাবে থাকে। আমাদের জীবন যদি হুমকির মুখে থাকত তাহলে তো আমরাই থাকতাম না। আমাদেরও তো বাবা-মা আছে, পরিবার আছে।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৭:২৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত