ঘোষণা

লকডাউন শিথিলের পথে বিভিন্ন দেশ

| মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 139 বার

লকডাউন শিথিলের পথে বিভিন্ন দেশ

বিবেকবার্তা ডেস্ক : মহামারি করোনার হানার পর বিশ্বজুড়ে জারি করা লকডাউনে সংকটে পড়েছে অর্থনীতি। এরপর গোটা বিশ্বে ‘জীবন না জীবিকা কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

লকডাউন তোলা নিয়ে গোটা বিশ্ব যখন দোলাচলে তখন করোনা সংক্রমণ প্রায় ৩৬ লাখ মানুষের মধ্যে হয়েছে বলে ওয়ার্ল্ডো মিটারের পরিসংখ্যান বলছে।

করোনার প্রকোপ বাড়লেও লকডাউন তুলতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। ইউরোপের দেশ ইতালিতেৃৃও সর্বপ্রথম লোকজনকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে লোকজন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে ঘরে থাকার পর ৪ এপ্রিল সকাল থেকে ইতালিতে সরকার লকডাউনের বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে তুলে নিতে শুরু করেছে।

লকডাউন তুলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে আমেরিকা। আমেরিকায় অর্ধেকের বেশি রাজ্যে লকডাউন শিথিল হয়েছে।

২ এপ্রিল থেকেই দেশের জনগণ রাস্তায় বের হতে শুরু করেছেন। নিউ ইয়র্কের মতো করোনাপ্রবণ জায়গায় ৩ এপ্রিল রৌদ্রস্নান করতেও বের হয় মানুষজন।

স্পেনে সাত সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো বয়স্করাও হাঁটাহাঁটি করতে ৩ মে থেকে বাইরে বের হতে পারছেন।

ফ্রান্সও আগামী সপ্তাহে লকডাউন তুলে নেবে। ১১ মে থেকে ফ্রান্সে বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে পর্যায়ক্রমে। কোথাও কোথাও কিছু বাণিজ্য চালু হবে।

পর্তুগালে ছয় সপ্তাহ ধরে চলছিল জরুরি অবস্থা। দেশটি এখন তিন ধাপে অচলাবস্থা নিরসনের পরিকল্পনা করেছে।

লকডাউন নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। স্কুল-কলেজ খুলে দিলে নতুন করে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জার্মানিতেও স্কুল-কলেজ খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ডেনমার্ক, নরওয়ে, চেক রিপাবলিক, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, আলবেনিয়া, গ্রিস, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নাইজেরিয়াসহ আরো কিছু দেশ লকডাউন শিথিল করেছে।

থাইল্যান্ডে খুলে দেওয়া হয়েছে কিছু খাবার দোকান ও পাব। হংকং সরকার কিছু কিছু কর্মক্ষেত্র খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জর্ডানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বাধা নেই। তিউনিশিয়ায় খুলে দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প।

মিসরে অভ্যন্তরীণদের জন্য হোটেল খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে সেখানে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ২৫ শতাংশ। ইরানে অনেক শহরে মসজিদ খুলে দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় স্কুলও খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ব্রিটেনে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুইটাই বাড়ছে। লকডাউনও শিথিল না করলেও লন্ডনসহ কয়েকটি শহরে গাড়ি চলাচল বেড়েছে। কিছু স্থানে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

তবে জাপানে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বেড়েছে। জাপানে জরুরি অবস্থার মেয়াদ মে মাসের শেষ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ৪ এপ্রিল এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে, বিবিসি ও আল জাজিরা

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত