ঘোষণা

জাপানে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাঙালী প্রবাসীর ‘এম কে হালাল ফুড’

| শনিবার, ২০ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 252 বার

জাপানে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাঙালী প্রবাসীর ‘এম কে হালাল ফুড’

আসিফ সরকার : জাপানে সফল উদ্যোক্তাদের একজন বাঙালী প্রবাসী ব্যবসায়ী ওমর ফারুক (ইমন) । জাপানের রাজধানীর টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে কিতাকো ওয়ার্ডের অন্তরভুক্ত জুজু নাকাহারাতে গড়ে তুলেছেন ‘এম কে হালাল ফুড’। প্রতিষ্ঠানটির সূচনা থেকেই বাঙালীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘এম কে হালাল ফুড’ এর পণ্য।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী ওমর ফারুক (ইমন) বিবেকবার্তাকে জানিয়েছেন তার সাফল্যের গল্প। ২০১৪ সালে তিনি সর্বপ্রথম জাপান আসেন। জন্মস্থান মুন্সীগঞ্জ (বিক্রমপুর) এর লৌহঝয় থানার ঘোড়াদৌর গ্রামে। তার শৈশব কেটেছে ঢাকা শহরেই। জাপানে আসার পর তিনি সর্বপ্রথম দুই বছর জাপানী ভাষার স্কুলে লেখাপড়া করেন। তারপর ৩ বছর ইন্জিনিয়ারিং এর উপর কোর্স সম্পন্ন করেন।

ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল একজন সৎ ও আদর্শবান ব্যবসায়িক হওয়া। তিনি এই প্রত্যাশা রেখেই হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগিয়ে যান । তারপর তিনি তার মা-বাবা ও বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় এম কে হালাল ফুড নামে সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। ধীরে ধীরে তা সফলতার পথে এগোতে থাকে। যার ফলে এটি জাপানী এবং দেশী বিদেশী প্রবাসীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, দিন দিন বিক্রয়ের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কাজে তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন তার মা। তিনি মনে করেন মায়ের দোয়া এবং সৎ মনোবল থাকলে জীবনে যেকোন জায়গায় সফলটার দোয়ারে পৌঁছা সম্ভব। তাছাড়া তিনি আরো বলেন, একজন ক্রেতার সাথে ভালো ব্যবহার করার ফলে বিক্রেতা ক্রেতার ভালো বন্ধু হিসেবে পরিচিতি লাভ করে । ধীরে ধীরে তিনি আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এম কে হালাল ফুড বাংলাদেশী সর্বপ্রকার হালাল পণ্যসহ বিভিন্ন দেশের হালাল সামগ্রী বিক্রয় করে থাকেন। তাছাড়া এম, কে হালাল ফুড মান ও গুণগত দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। তাছাড়া জাপানের যেকোন জায়গায় একদিনে খুব দ্রুত পণ্য ডেলিভারী দিয়ে থাকেন।

এছাড়া এম.কে হালাল ফুডের স্বত্বাধিকারী সকল ক্রেতারা প্রতি অনুরোধ রেখে বলেছেন, আপনারা সবাই আমাদের দোকানে আসবেন এবং আমাদের ব্যবসাকে আরো প্রসারিত করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। আশা করি ভুলত্রুটি থাকলে আমরা তা সংশোধন করে আরো গুনগত মান বৃদ্ধি করতে পারবো। আর যারা দূরে থাকেন, দোকানে আসা সম্ভব না তাদের তাকোবিনের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে এবং গুনগত মান সম্মত হালাল পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে সকলের সেবা করার আপ্রাণ চেষ্টা করবো। সেক্ষেত্রে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৭:৩১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২০ জুন ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত