ঘোষণা

বাংলাদেশের ফুটপাত-শপিংমল ক্রেতা শূন্য, নেই জমজমাট বিক্রি

| শনিবার, ০৬ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 20 বার

বাংলাদেশের ফুটপাত-শপিংমল ক্রেতা শূন্য, নেই জমজমাট বিক্রি

ওমর শাহ : করোনা ভাইরাসে পর্যুদস্ত গোটা বিশ্ব। করোনার প্রভাবমুক্ত নয় বাংলাদেশ। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতে আমূল পরিবর্তন দেখা গেছে।

সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ায় ঈদের পরে খুলেছে বেশ কিছু শপিংমল। লম্বা ছুটির পর বিক্রির আশায় দোকান খুললেও রাজধানীর মার্কেটগুলো ক্রেতা শুন্য।

বেশির ভাগ পোশাকের দোকানেই বিক্রি একেবারেই নেই। ফলে করোনা আতঙ্কের মাঝে বিক্রির আশায় যারা দোকান খুলেছেন তারা প্রচণ্ড হতাশ।

ঈদের আগেও মার্কেটে ক্রেতা ছিল না, এখনো নেই। দোকান মালিকদের ক্রেতার অপেক্ষায় দিনভর আশা করেই কাটছে। তবে জমে উঠেছে ফুটপাতের বাজার।

ওডিসি মার্কেট (অপজিট ঢাকা কলেজ) হিসেবে পরিচিত ঢাকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফুটপাতের বাজার ক্রেতার আনাগোনায় জমে উঠেছে।

জমে উঠেছে গাউছিয়ার সামনের ফুটপাতের বাজারও। নিউ মার্কেটের দোকানগুলোতে ক্রেতা না থাকলেও নিউ মার্কেটের খোলা চত্বরে হকারদের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের জমজমাট ভিড়।

ঢাকা কলেজের উলটো পাশের ফুটপাতে সস্তায় প্যান্ট, গেঞ্জি, শার্ট মেলে। একটু খুঁজলে অনেক দামি ব্র্যান্ডের কাপড়ও বেশ কম দামেই পাওয়া যায়। তাই সব সময় এখানে ভিড় লেগেই থাকে।

দামি পোশাক ও জুতার দোকানে ক্রেতা উপস্থিতি না থাকলেও কম দামের পণ্যের এসব মার্কেটে মানুষ আসছেন কেনাকাটা করতে।

করোনাকালে কম খরচে চলনসই পোশাকের খোঁজে মূলত ক্রেতারা ভিড় করছেন এসব দোকানে।

রাজধানীর গাউছিয়া, নিউ মার্কেট, চাঁদনি চক, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজা, মেট্রোসহ বিভিন্ন শপিংমল খুলেছে। তবে বসুন্ধরা সিটি শপিং সেন্টার এখনো বন্ধ।

এসব শপিংমলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তোড়জোড় দেখা গেছে। ‘ডিসইনফেক্টেড টানেল’ বসিয়ে সবাইকে তার ভেতর দিয়ে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে।

দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মুখে মাস্ক না থাকলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে, সব মার্কেটেই ক্রেতা উপস্থিতি খুব কম।

ফুটপাতের দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা খুব কম। তবে, সচেতন ব্যক্তিদের গা বাঁচিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। তবে, মুখে মাস্ক আছে সবারই।

দোকানিরা বলছেন, মানুষের হাতে টাকা নেই। যারা ধনী তারা ব্র্যান্ডেড শপগুলো থেকে কেনাকাটা করেন। কিন্তু সাধারণ নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির হাতে টাকা নেই। সে জন্যই বিক্রি নেই।

হাতে টাকা না থাকায় সৌখিন পোশাক ও অন্যান্য দ্রব্য কেনাটা এখন যেন বিলাসিতা। তাই, সর্বসাধারণের কেনাকাটার প্রতি অনীহা।

বেসরকারি অফিস, বেসরকারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পুরোদমে চালু না হলে কেনাকাটা স্বাভাবিক পর্যায়ে আসা কঠিন হবে।

অফিস আদালতে যেতে জামা-কাপড় লাগেই। এখন সময়টা খারাপ তাই সবাই কম খরচে জামাকাপড় কিনছেন।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ০৬ জুন ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত