ঘোষণা

করোনা চিকিৎসায় জাপানে অনুমোদন পেল ডেক্সামেথেসোন

ওমর শাহ | বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০ | পড়া হয়েছে 98 বার

করোনা চিকিৎসায় জাপানে অনুমোদন পেল ডেক্সামেথেসোন

স্টেরয়েড হরমোনের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ডেক্সামেথেসো ওষুধ করোনার চিকিৎসার অনুমোদন পেয়েছে জাপানে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এটি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে বলে জাপানের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

জাপানের সংবাদ মাধ্যম জাপান টুডে ২২ জুলাই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ব্রিটেনের একটি পরীক্ষার পরে করোনা রোগের দ্বিতীয় চিকিৎসা হিসাবে ডেক্সামেথেসোন ওষুধ খুবই কাযকরি ভূমিকা রাখে। পরীক্ষায় দেখা গেছে যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে এ ওষুধের ফলে মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে।

মার্কিন সংস্থা গিলিয়েড সায়েন্সেস ইনকরপোরেশনের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির পাশাপাশি জাপানের হ্যান্ডবুকের সাম্প্রতিক সংশোধনীতে ডেক্সামেথেসোনকে করোনা রোগির চিকিৎসার বিকল্প হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই সংশোধনীটি সংবাদ ঢালাওভাবে প্রকাশিত হয় দেশটির জাতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোতে। এছাড়া ব্রিটেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সও করোনার রোগির চিকিৎসায় ডেক্সামেথেসোনকে জাপানে অন্তর্ভুক্ত করার সংবাদটি ঢালাওভাবে প্রকাশ করে।

জাপান সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে নিচি-ইকো ফার্মাসিউটিক্যাল কো এর শেয়ারগুলো দিনের শুরুতেই ৬.৫% ভাগ বেশি বেড়ে যায় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

করোনা ইস্যুতে গত মাসে যুক্তরাজ্যের গবেষকরা একটি পরীক্ষায় করোনা রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্য ডেক্সামেথেসোন প্রথম ভাল কাজ করে বলে জানায়। যা এ পযন্ত করোনা মহামারীর মধ্যে একটি বড় অগ্রগতি বলে বিবেচিত হয়। এরপর থেকেই এটি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়।

করোনার রোগের চিকিৎসায় এলোমেলোভাবে চলমান ক্লিনিকাল পরীক্ষার সম্পূর্ণ ফলাফল নিয়ে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে গত ১৭ জুলাই( শুক্রবার) একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।সেখানে বলা হয়েছে করোনায় বেশি গ্রাস করা ও মধ্যমভাবে গ্রাস করা উভয় রোগীর ক্ষেত্রে ডেক্সামেথেসোন ভালো কাজ করে।

তথ্যসূত্র: জাপান টাইমস ও মাইনিসি নিউজ

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৪:০১ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত