ঘোষণা

সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর চোখে ৩০ ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকরি

ওমর শাহ | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০ | পড়া হয়েছে 184 বার

সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর চোখে ৩০ ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকরি

ওমর শাহ : করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য বিদ্যমান প্রায় ৩০ টি ওষুধ কার্যকরি হতে পারে বলে মনে করে জাপানের সুপার কম্পিউটার ফুগাকু। সম্প্রতি বিশ্বের দ্রুততম এই সুপার কম্পিউটারটির নামকরণ করা হয়।

জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইয়াসুশি ওকুনো ৩ জুলাই এমন ঘোষণা করেন।

সুপার কম্পিউর ফুগাকুর মূল্যায়ন অনুযায়ী, করোনার চিকিৎসায় সবচেয়ে সম্ভাব্য ওষুধটি কার্যকর বলে করো জানা ছিল না।

জাপানের ফার্মাসিউটিকাল বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ওকুনো বলেছেন, একটি জাপানি সংস্থা এই বিদ্যমান ওষুধের পেটেন্ট নিয়েছে। তিনি প্রস্তুতকারকের সাথে আলোচনার পরে ক্লিনিকাল গবেষণা ও ওষুধটির ট্রায়াল শুরু করবেন বলে আশাবাদী।

গবেষক ওকুনো ও তার দল সুপার কম্পিউটার ফুগাকু ব্যবহার করে ক্যান্সার প্রতিরোধী ও সাধারণ সর্দির ওষুধসহ বিদ্যমান ২ হাজার ১২৮টি ওষুধ SARS-CoV-2 যার বৈজ্ঞিানিক নাম COVID-19 এর বিরুদ্ধে কিভাবে শরীরের অণুগুলোতে কাজ করে তার একটি পরীক্ষা চালায়।

পরীক্ষায় দেখা যায়, ওষুধগুলো প্রোটিনের কীহোলের মতো জায়গাগুলোর ভেতরে আটকে থাকে তাই এখানে ওষুধটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। প্রোটিনের সাথে সংযুক্ত থাকার উপর ভিত্তি করে গবেষণা দলটি ওষুধগুলোর পরীক্ষা চালায়।

সারা বিশ্বে যে ১২ টি ওষুধ সম্ভাব্য করোনার চিকিৎসার ওষুধ হিসাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে যার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিপ্যারাসিটিক ওষুধ ক্লোসামাইড। যেটিকে সুপার কম্পিটার ফুগাকু দ্বিতীয় স্থানে রেখেছেন।

SARS-CoV-2 রোধে যে ওষুধটি জাপানে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী তা ওকুনো জানেন তবে সম্ভাব্য পেটেন্ট আইন লঙ্ঘনের কারণে তিনি ওষুধটির নাম বলতে পারছেন না বলে জানান। এছাড়াও অন্যান্য অনেক বিদ্যমান ওষুধও করোনার চিকিৎসা জন্য কার্যকারি যেগুলো সম্পর্কে তথ্য অজানা।

তাদের গবেষণায় লক্ষ্য ছিল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করে কিভাবে এনজাইম মানুষের কোষে ভাইরাস প্রতিলিপি তৈরি করতে কাজ করে তা জানা।

গ্রীষ্মের শেষের দিকে আরও তিন প্রকারের SARS-CoV-2 প্রোটিনের উপর পরীক্ষা পরিচালনা করার ও ডেটা সংকলনের পরিকল্পনা করেছে এ গবেষণা দলটি।

বিদ্যমান ২ হাজার ১২৮ টি ওষুধের উপর পরীক্ষা চালাতে সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর ১০ দিন সময় লেগেছে, তবে ফুগাকুর পূর্বসূরী রেকেন গবেষণা ইনস্টিটিউটের কে সুপার কম্পিউটারটি দ্বারা পরিচালিত হলে এটি কমপক্ষে এক বছর সময় লাগতো।

তথ্যসূত্র: মাইনিসি নিউজ

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত