ঘোষণা

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন-ভারতের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

| সোমবার, ২২ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 28 বার

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন-ভারতের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

শাহাদাত হোসাইন স্বাধীন :

দক্ষিণ এশিয়া উপনিবেশিক শাসনের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই এই অঞ্চলে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব বলতে গেলে থামেনি। স্বাধীনতার ৭০ বছরে এই অঞ্চলের বড় দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান বেশ কয়েকটি বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়েছে। শত সমস্যায় পতিত এই দুই দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দারিদ্র্য ও দুর্নীতি। কিন্তু দেশ দুটির মধ্যে শত্রুঘৃণা এত প্রবল যে কোটি কোটি মানুষকে অভুক্ত রেখে, দারিদ্র্যসীমার নিচে রেখে তারা পারমাণবিক বোমার জন্য কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে। এমন করোনা মহামারির মধ্যেও স্বাস্থ্যখাতেও চেয়ে বহুগুণ গুরুত্ব পেয়েছে সামরিক খাত।

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিটি উত্তেজনায় প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশীদার বৃহৎ প্রতিবেশী চীন। গত দুই দশকে চীন বাণিজ্যকে গুরুত্ব দিয়ে সরাসরি যুদ্ধ থেকে বিরত থাকলেও সম্প্রতি ৪৫ বছর পর ভারতের সাথে সীমান্তে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। অন্যদিকে চীন ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ লাদাখে চীন ও ভারতের সৈন্য সমাবেশের মধ্যেই নেপালের সাথে মানচিত্র বিতর্কে জড়িয়েছে ভারত। এছাড়া গত বছরজুড়েই বিশ্ব রাজনীতিতে আলোচিত ছিল বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল ও তা নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মুখোমুখি অবস্থান।

অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের মাধ্যমে চীন-ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি, সাংহাই করপোরেশনে ভারত-পাকিস্তানের যোগদানের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সম্প্রীতি ও বাণিজ্য বৃদ্ধির সমূহসম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ আর যুদ্ধের হুমকি যেন থামছে না। এই অঞ্চলে সাম্প্রতিককালের উত্তেজনার পেছনে রয়েছে ভারতে কট্টর ডানপন্থার উত্থান, চীনের অর্থনৈতিক অভিলাষ, ছোট দেশগুলোর ওপর প্রভাব তৈরি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও দ্বিমেরু বিশ্বে ভারত-চীনের মুখোমুখি অবস্থান।

ভারতে মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি গ্রহণ করে লাহোরে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে যান। কিন্তু তার দলের কট্টরনীতি ধীরে ধীরে চীন, নেপাল ও পাকিস্তানসহ প্রতিবেশীদের সাথে দূরত্বের দেয়াল তুলে দেয়। বিজেপি সরকারবিরোধী দলগুলোর বিরোধিতা, দেশ-বিদেশে নানা সমালোচনার মুখে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ৩৭০ ধারা তুলে দেয়। সেই সাথে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর, জম্মু কাশ্মীর ও লাদাখে কেন্দ্র শাসন জারি করে। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের সাথে প্রায় যুদ্ধ যুদ্ধ অবস্থা।

চীনের সাথে লাদাখে বর্তমানে যে সংঘর্ষ তার সাথেও জড়িয়ে আছে এই কাশ্মীর ইস্যু। হঠাৎ করে চীনের লাল ফৌজ উড়ে এসে ভারতীয় বাহিনীর ওপর হামলা করেনি। গত মে মাস থেকে তারা সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করেছে। ভারতের সীমান্তের ভেতরে ঢুকে হামলার পর তারা এখন গালওয়ান উপত্যকায় ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করছে। এই সার্বভৌমত্ব দাবির সাথে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ওপর দিয়ে গেছে চীন-পাকিস্তানের অর্থনৈতিক করিডোর সিপিইসি। কাশ্মীর রাজ্যশাসিত থাকার সময় চীন, ভারত ও পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের মাঝখানে বাফার জোন হিসেবে কাজ করত। কিন্তু ভারত অংশের কাশ্মীর ভারতের কেন্দ্র সরকারের নিয়ন্ত্রিত হওয়ার পর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ওপর দিয়ে যাওয়া চীনের অর্থনৈতিক করিডোর হুমকির মুখে পড়ে যায়। যেহেতু পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতের দাবি রয়েছে। এছাড়া চীনের আকসাই চীন যেটার ওপরও ভারতের দাবি তাও অরক্ষিত হয়ে পড়ে।

হিমবাহের নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরত্বপূর্ণ লাদাখ উপত্যকায় ভারত ও চীনের মধ্যে যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কারাকোরাম অভিমুখে নিজেদের অংশে রাস্তা নির্মাণ করছে ভারত। চীনের অংশে সুপ্রশস্ত রাস্তা, সেনাছাউনি থাকলেও ভারত তার সীমান্তে শক্ত ঘাঁটি তৈরি করতে পারেনি। ভারত কারাকোরাম অভিমুখে রাস্তা নির্মাণ ও সীমান্তে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করলে চীনের তিব্বত ও জিংজিয়াংয়ে অবস্থিত বিমান ঘাঁটি অরক্ষিত হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের অবস্থান শক্ত হয়ে পড়বে।

ভারতের সাথে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ভারতের দাবি মতে, ৩৪৮৮ কিলোমিটার আর চীনের দাবি মতে ২০০০ কিলোমিটার। চীন ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের দাবি করে। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের ওপারে চীন শক্ত সামরিক অবস্থান তৈরি করে রেখেছে। বিপরীতে ভারতও সীমান্তে রাস্তা ও সামরিক ছাউনি নির্মাণের বৃহৎ পরিকল্পনা করছে যার কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে। ফলে ২০২২ সালের পর লাদাখ ও অরুণাচল সীমান্তে ভারত এখন যতটা দুর্বল ঠিক ততটা দুর্বল থাকবে না। ফলে ভারতকে এখনই চেপে ধরতে চায় চীন।

করোনা প্রাদুর্ভাব না এলে চলতি বছরে ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সাংহাই করপোরেশনের শীর্ষ সম্মেলন। যেখানে চীনের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-ভারতের সম্পর্কের বরফ গলার সম্ভাবনাও ছিল। চীনের সাথে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দশ হাজার কোটি ডলারের। ব্রিকসের মাধ্যমে দু’দেশ আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যুতে একমত ছিল। ভারতের রেললাইন নির্মাণসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণেও চীন অংশীদার। ভারতের ফোনের বাজারের ৬৫% চীনের দখলে। সেটা এতটাই বেশি যে ২০১৭ সালে দোকলাম উত্তেজনার সময় ভারতীয় সৈন্যদের চীনা কোম্পানির ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

২০১৭ সালের ভূটানের দোকলামে চীনের রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র ভারত-চীনের সৈন্য মুখোমুখি দাঁড়ায়। কিন্তু ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সে উত্তেজনা সাময়িক প্রশমিত হয়। এর আট মাস পর নরেন্দ্র মোদি চীন সফরে যান তার পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের অক্টোবরে চীনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফর ছিল বেশ হৃদ্যতাপূর্ণ। দুই নেতা ক্রমশ বাণিজ্য সম্পর্ককে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন।

তবে চীনের প্রস্তাবিত বিআরআই প্রকল্পে ভারতের অংশ না নেয়া চীনকে ক্ষুব্ধ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের মার্কিন অক্ষের সাথে অতিরিক্ত ঘেঁষাঘেঁষি এবং সাম্প্রতিক করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে ট্রাম্পের নেতৃত্বে যে চীনবিরোধী অক্ষ তৈরি হচ্ছে তাতে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ইসরায়েলের সাথে যুক্ত হয়েছে ভারত। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ভারতসহ সাতজাতি ভার্চুয়াল বৈঠকের পর ভারতে চীনা বিনিয়োগে বিধিনিষেধ দিয়েছে ভারত।

অন্যদিকে মার্কিন কোম্পানিকে চীন ছেড়ে ভারতে বিনিয়োগের জন্য নানা প্রণোদনা দিচ্ছে মোদি সরকার। আরও একটি রাজনৈতিক ইস্যু তাইওয়ান। চীন তাইওয়ানকে তার নিজের ভূখণ্ড দাবি করে। তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক বা আলাদা অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোকে সন্দেহের চোখে দেখে চীন। কিন্তু তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের ভার্চুয়াল শপথ অনুষ্ঠানে দুইজন এমপি পাঠিয়ে দেন নরেন্দ্র মোদি। মোদির এই পদক্ষেপকে স্বাভাবিক হিসেবে নেয়নি চীন।

এভাবে গত দুই দশকে সম্পর্কের উন্নয়ন হলেও সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের সরাসরি চীনবিরোধী বলয়ে যাওয়া চীনকে ক্ষুব্ধ করেছে। ফলে ক্ষুব্ধ চীন নানা সমীকরণে এই সময়টাকে ভারতকে ‘শায়েস্তা’ করা জন্য সীমান্ত সংঘাতকে বেছে নিয়েছে। লাদাখে সহিংসতার মধ্যেই রাশিয়া থেকে মিগ-২৯ কিনছে ভারত। একদিকে যুদ্ধবিমান ক্রয় অন্যদিকে বৈঠক। বৈঠক থেকে কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ এখানে শুধু একটি উপত্যকা দখল নয়, রয়েছে নানা সমীকরণের জয়-পরাজয় শোধ প্রতিশোধের খেলা।

ভারতের মাত্র ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির বিপরীতে ১৫ ট্রিলিয়নের অর্থনীতি চীনের। ভারতের চেয়ে চারগুণ সামরিক বাজেট চীনের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতের এক ইঞ্চি জমিও চীনের দখলে নেই, সীমান্তে চীনকে শিক্ষা দিয়েছে ভারত’ বক্তব্য দিয়ে নিজ দেশের অসন্তোষ থামাতে চাচ্ছেন। অবস্থাদৃষ্টে ভারত এখনও আক্রমাণত্মক না হলেও তারা পরাজয় মেনে নেবে না বরং চীনের সাথে দীর্ঘমেয়াদে চিরশত্রুতায় জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে ভারত।

ভারতের আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে বলছে, চীনের সাথে সমঝোতা নয় বরং সামরিক প্রতিশোধের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিশোধের চেষ্টা করছে ভারত। ফ্রেট করিডোর প্রকল্প ও ভারতে ফোরজি চালুতে চীনা বিনিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। করোনাভাইরাস নিয়ে চীনবিরোধী মতকে আরও বেশি কাজে লাগিয়ে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে সাথে নিয়ে চতুর্দেশীয় চীনবিরোধী অক্ষ গড়ে তোলার চেষ্টা করবে ভারত।

চীনও ভারতকে সহজে ছাড় দেবে বলে মনে হয় না। ভারতে নির্বাসিত তিব্বতের প্রবাসী সরকারের প্রেসিডেন্ট লবসাং সাংগে বলেন, লাদাখ প্রথম আঙুল বাকি চারদিক থেকেও এগিয়ে আসছে চীন। চীন মাং সে তুংয়ের নীতি অবলম্বন করছে। মাং সে তুং তিব্বত দখল করার পর বলেছিলেন হাতের তালু দখল করা শেষ এবার পাঁচ আঙুল কবজা করতে হবে। এই পাঁচ আঙুল লাদাখ, সিকিম, অরুণাচল, ভূটান ও নেপাল। এই চারদিক বলতে তিনি লাদাখ, দোকলাম, হিমাচল প্রদেশ ও ভারত মহাসাগরকে বুঝিয়েছেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি মাসে অস্ট্রেলিয়ার সাথে ভারতের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এছাড়া ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের যৌথ নৌ-মহড়ার গুঞ্জনও রয়েছে। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়. ভারতীয় কূটনীতিকরা নতুন ‘ওয়াল্ড অর্ডার’ বোঝার চেষ্টা করছেন। তারা পশ্চিমা বিশ্বকে সাথে নিয়ে চীনকে মোকাবিলায় আরও দৃঢ় প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়া সদ্যসাবেক ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে এক মতামত কলামে লিখেছেন, দিল্লি বেইজিং বা ওয়াশিংটন কোনো একটিকে বেছে নেবে। এছাড়া করোনা পরবর্তী বিশ্বে ভারসাম্য করার বাস্তবতাও থাকবে না। এটা ভারতের জোট নিরপেক্ষ চিত্র থেকে বের হয়ে যাওয়ার স্পষ্ট বার্তা।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে ভারতের ঐতিহ্য আছে। ১৯৪৭ সালের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুমানের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও জওহরলাল নেহেরু মার্কিন অক্ষে যোগ দেননি। বরং গড়ে তোলেন ‘জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন’। স্বাধীন ফিলিস্তিনের প্রতি ভারতের কড়া সমর্থন ছিল। ১৯৯২ সালে ভারতের প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত ইসরায়েলের সাথে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। এছাড়া নানা ঘাত-প্রতিঘাতে ভারত ইরান-সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চীন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সাথে ভারসাম্য কূটনীতি বজায় রেখে আসছিল।

কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি সরকার ফের ক্ষমতায় আসলে ভারত জোট নিরপেক্ষ কূটনীতি থেকে একরোখা কূটনীতির দিকে যায়। ২০১৯ সালে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ন্যাম বা জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যায়নি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মার্কিন অক্ষে ঘেঁষা ও কাশ্মীর ইস্যুতে ইরান, চীন, মালেশিয়া, তুরস্কসহ অনেক দেশের সাথের ঐতিহ্যবাহী সম্পর্কে ফাটল ধরে। এছাড়া প্রতিবেশী নেপালের সাথেও দীর্ঘ ৭০ বছরের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়।

ভারসাম্য কূটনীতি থেকে বের হওয়ার কারণে শত্রু যেমন হয়েছে তেমনি বন্ধু তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এখন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তবে গত মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিলর ডোনাল্ট টুস্ক বলেছেন, আমেরিকার মতো বন্ধু থাকলে তার শত্রুর দরকার নেই। এখন ভারত এই সূত্রে পড়বে নাকি পশ্চিমা সমর্থনে চীনের বিরুদ্ধে উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে তা সময় বলে দেবে।

লেখক : শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২২ জুন ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত