ঘোষণা

ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করবে জাপান

| শনিবার, ১৬ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 32 বার

ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করবে জাপান

বিবেকবার্তা ডেস্ক : জাপানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তারের ব্যাপকতা বোঝার জন্য তাঁর মন্ত্রণালয় ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা চালাবে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাতো কাৎসুনোবু এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে জনসংখ্যার কত ভাগ সংক্রমিত হয়েছে, সে সম্বন্ধে ধারণা মিলবে গণহারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা থেকে।

কাতো বলেন, তিনি আশা করছেন শীঘ্রই জুন মাস থেকে শুরু হবে এই পরীক্ষা এবং ১০ হাজার ব্যক্তি এই পরীক্ষায় সামিল হবেন।

মন্ত্রণালয় তিনটি জেলায় এই কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। জেলাগুলোর মধ্যে টোকিও এবং ওসাকা অন্তর্ভুক্ত যেখানে করোনায় নিশ্চিতভাবে সংক্রমিতের সংখ্যা অনেক। অপর জেলাটি হোল মিয়াগি যেখানে সংক্রমিতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো, এসব অঞ্চলে ভাইরাস কতটা ছড়িয়ে পড়েছে, তা বোঝা। এছাড়া গোষ্ঠীগতভাবে এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা অর্জিত হয়েছে, তাও এই পরীক্ষা থেকে বোঝা যাবে। গোষ্ঠীগতভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জিত হয় যখন জনসংখ্যার অধিকাংশের মধ্যে কোনো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

এখন বহু দেশে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। জাপানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত উপাত্ত সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। তবে সরকারি ভাবে জাপানে এবারই প্রথম ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

কাতো বলেন, তিনি চান দেহে অ্যান্টিবডি কীভাবে তৈরি হয় এবং কতদিন স্থায়ী হয়, তা নিয়ে জাপানে গবেষণা হোক।

ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করবে জাপান

বিবেকবার্তা ডেস্ক : জাপানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তারের ব্যাপকতা বোঝার জন্য তাঁর মন্ত্রণালয় ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা চালাবে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাতো কাৎসুনোবু এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে জনসংখ্যার কত ভাগ সংক্রমিত হয়েছে, সে সম্বন্ধে ধারণা মিলবে গণহারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা থেকে।

কাতো বলেন, তিনি আশা করছেন শীঘ্রই জুন মাস থেকে শুরু হবে এই পরীক্ষা এবং ১০ হাজার ব্যক্তি এই পরীক্ষায় সামিল হবেন।

মন্ত্রণালয় তিনটি জেলায় এই কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। জেলাগুলোর মধ্যে টোকিও এবং ওসাকা অন্তর্ভুক্ত যেখানে করোনায় নিশ্চিতভাবে সংক্রমিতের সংখ্যা অনেক। অপর জেলাটি হোল মিয়াগি যেখানে সংক্রমিতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো, এসব অঞ্চলে ভাইরাস কতটা ছড়িয়ে পড়েছে, তা বোঝা। এছাড়া গোষ্ঠীগতভাবে এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা অর্জিত হয়েছে, তাও এই পরীক্ষা থেকে বোঝা যাবে। গোষ্ঠীগতভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জিত হয় যখন জনসংখ্যার অধিকাংশের মধ্যে কোনো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

এখন বহু দেশে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। জাপানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত উপাত্ত সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। তবে সরকারি ভাবে জাপানে এবারই প্রথম ব্যাপক হারে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

কাতো বলেন, তিনি চান দেহে অ্যান্টিবডি কীভাবে তৈরি হয় এবং কতদিন স্থায়ী হয়, তা নিয়ে জাপানে গবেষণা হোক।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৬:২১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১৬ মে ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত