ঘোষণা

প্রেক্ষাপট ১/১১ : সাংবাদিক কাজলকে নিয়ে কিছু স্মৃতি

| মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 37 বার

প্রেক্ষাপট ১/১১ : সাংবাদিক কাজলকে নিয়ে কিছু স্মৃতি

এম এ নোমান।

বহুল আলোচিত কথিত ওয়ান- ইলেভেনের সংবিধানবহির্ভূত অদ্ভুত সরকারের আমল। দেশের শীর্ষ দুই নেত্রী ও সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে। সংসদ ভবনের বিশেষ দুটি আদালতে তাঁদের বিচার হতো৷ দুই দলের কোটি কোটি নেতাকর্মী মুহূর্তের মধ্যেই উধাও বা আত্মগোপনে। কেউকেউ জেলে। মাঠে শুধুই সাংবাদিকরা।

বিচার শুরুর প্রথম দিনেই সংসদ ভবনের গেইটে সাংবাদিকদের আটকে দিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। দেশি-বিদেশি শতশত সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত। আমরা যতই বোঝানোর চেষ্টা করি তারা আরো মারমুখী হয়ে উঠছেন।

বাংলাদেশ ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সাহসী সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক ফারক কাজী ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা কলম, লেখার কাগজ ও ক্যামেরা সংসদ ভবনের চত্বরে রেখে দিয়ে হাত বেঁধে সবাই বসে পড়লাম। ফোরামের অর্থ সম্পাদক আমি।

প্রভাবশালী বিদেশি সকল সংবাদমাধ্যমের অনলাইন ভার্সনে তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বের সাথে আমাদের এ যৌক্তিক প্রতিবাদের খবর প্রকাশ পায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের সম্মানের সঙ্গে আদালতে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ দেয়া হয়।

ওই প্রতিবাদ সমাবেশে ফারুক ভাই বলেছিলেন, দুই নেত্রীর সাথে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকেও বন্দী করা হয়েছে। এটা হতে দেয়া যাবে না। এ ক্যাঙ্গারু কোর্ট আমরা মানি না।
দুই নেত্রীর মুক্তির দিন পর্যন্ত সাংবাদিকরা মাঠেই ছিলেন। আমাদের সভাপতি ফারক ভাই ওই সময় আরো বলতেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য দুই নেত্রীর মুক্তি অপরিহার্য। দেশে গণতন্ত্র ফিরে না আসলে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না।

বি. দ্ব. কাজল ভাইয়ের তোলা ছবি ওই কথা বলতো। অনুপ্রেরণা যোগাইত।
এক যুগের ব্যবধানে কাজল ভাইয়ের দুটি ছবি আজ বেদনার জন্ম দেয়।

————-
এম এ নোমান : সাংবাদিক এন টি ভি।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত