ঘোষণা

জাপানের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উৎসব

সাঈদা ফাতেমা (সুমি) | মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 42 বার

জাপানের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উৎসব

প্রিয় দেশ জাপান -নিপ্পন -নিহন, বার মাসে তের পার্বন নয়ই, দেশ ভিত্তিক, এলাকা ভিত্তিক, কত অসংখ্য অনুষ্ঠানাদি হয়, বলা মুসকিল। ওরা যেমন পরিশ্রমী, তেমনি সুশৃঙ্খল জাতি। আনন্দ -বিনোদনে, উদসব -পার্বনে, জীবনকে উপভোগ করে গভীর আবেগের সাথে।
চার ঋতুর দেশ (হারু -নাছু -আখি ফুউই ?)। ঋতু ভিত্তিক উদসব গুলি হয় অত্যধিক আনন্দঘন। প্রকৃতির খেয়ালেরও উদসব হয়। যেমন, চেরি ফুলের উদসব (সাকুরা নো মাচুরি)। নাচে -গানে -পানে, অপূর্ব। দারুন -দারুন আনন্দের। মন ভাল থাকলে, কোন দিন নিজের অভিগ্যতা শেয়ার করতেও পারি।
আজকের পোষ্টের বিষয়টি ভিন্ন।
সম্ভাবত, জানুযারি মাসের ১১/১২তারিখ, নতুন জীবন ধারার পরিবর্তনের গল্পই বলা যায়। প্রতি বছর, এই দিনটিতে, যে সমস্ত কিশোর -কিশোরি বিশ বছরে, পা রাখে, তাদের সম্মানার্থে,সরকারি ভাবে, পারিবারিক ভাবে একটি স্বরনীয় উদসব হয়। এই দিনটিকে বলা হয়, “”কামিং অব এইজ ডে “”।নতুন বছরের শুরু। একটি অধ্যায়ের শুরু। তরুন -তরুনীদের নতুন অধ্যায়ের আরো একটি অর্জনের ধাপে এগিয়ে যাওয়ার গল্পের শুরু। সরকার, পরিবার সহ, সকলেই, এই দিনটি উপভোগ করে।
সকালবেলা নতুন রঙ্গিন পোষাক (কিমোনো) পরে,দারুন সাজ-গোজ করে, বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ায়। এলাকার ওয়াড কমিশনার, শহরের গভর্নর, তাদের নতুন জীবনে, প্রবেশের সম্ভর্ধনা দেয়। হাতে তুলে দেয়, “”ওছাকে “”-(জাপানের নিজস্ব এক ধরনের মদ )। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের, “প্রাপ্ত বয়স্ক “”ঘোষনা করা হয়।
সন্ধ্যায়, বাবা – মাও পরিবারের পক্ষ থেকে, তাদের হাতে “ওছাকে বা বিরু /বেয়ার তুলে দেয়
অর্থ, তুমি সাবালক, বন্ধনহীন।
তরুনীদের “কিমোনো “তে দারুন রং এর চমক থাকে। চুলে বাহাড়ি খোপা, মুখে মেকাপের আতিশার্য। পায়েও বাহারি “খড়ম,(গেতা “)।
কিমোনো, জাপানীদের জাতীয় পোষাক হলেও, বিবাহিত -অবিবাহিতদের মধ্যে একটু ডিজাইনে পার্থক্য আছে। বিবাহিতদের হাতার নিচে আলগা একটা ছোট করে কাপড় ঝুলানো থাকে। আর অবিবাহিতদের ঐ আলগা কাপড়টি বড় করে, প্রায় পা পযর্ন্ত ঝুলানো থাকে। যা তাদের অবিবাহিতের সিম্বল।
এই উদসবটি সরকারি ভাবে পালিত হয় এটা সামাজিক ও পরিবারিক ভাবে আনন্দ দায়ক এবং অর্থ বহ।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ৯:০৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |