ঘোষণা

আবারও ছন্দে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্প

উম্মে হাফসা | রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 66 বার

আবারও ছন্দে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্প

দেশের হতদরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করতে পাঁচ বছর আগে রেশম শিল্পের সুদিন ফেরাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার। ইতোমধ্যে এর সুফল আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন পর আবারও ছন্দে ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পটি।

রেশম চাষের মাধ্যমে গাজীপুরের কাপাসিয়ার পাঁচ শতাধিক নারী স্বাবলম্বী হয়েছেন। সংসারের কাজ করেই মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা আয় করছেন তারা। এছাড়া ময়মনসিংহ, জামালপুর ও টাঙ্গাইলসহ দেশের আরও বেশ কিছু অঞ্চলে রেশম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে হতদরিদ্র অনেক পরিবার।

নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে রেশম চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ জন্য যাবতীয় আনুষঙ্গিক খরচ দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি বাড়িতে রেশম পোকা বিতরণ ও পোকার খাবার বিতরণসহ সবকিছু তদারকি করছে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড।

উৎপাদিত রেশমের গুটি কৃষকদের কাছ থেকে কেজি দরে কিনে নিয়ে সুতা উৎপাদন করা হয়। বছরে চারবার রেশম গুটি উৎপাদন করা যায়। প্রতি বছরের ভাদ্র, অগ্রহায়ণ, চৈত্র ও জৈষ্ঠ মাসে রেশম গুটি সংগ্রহ করা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

কৃষকদের রেশম পোকার ডিম প্রদানের পর কয়েক দিনেই পোকা তৈরি হয়। পরে তুঁত গাছের পাতা কেটে কুচি কুচি করে পোকার খাবার সরবরাহ করা হয়। এভাবে দেড় মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায় গুটি। যেখান থেকে তৈরি হয় রেশম সুতা।

বর্তমানে এক কেজি রেশমি সুতা বিক্রি হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। প্রতি সাত কেজি গুটি থেকে এক কেজি রেশমি সুতা উৎপাদন করা যায় বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, দেশে রেশমের মোট চাহিদা ৩০০ টন। এর মধ্যে মাত্র ৩০ টন এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি ৭০ ভাগ রেশমের সুতা আমদানি করতে হয়। তবে চলমান রেশমের এই উৎপাদনের ধারা অব্যাহত থাকলে শীঘ্রই আমদানি হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত