ঘোষণা

বিপ্লবের ইতিহাস জানস নাই

দিলীপ পাল | বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১ | পড়া হয়েছে 295 বার

বিপ্লবের ইতিহাস জানস নাই

দূর দূর দেশে যে কি দিন আইলো ।লক থাইকে আনলক  ।আবার ঘুইরা ফিইরা সেই ভয়-রাস আসতাচে।এ যে যাবার চায় না।কউ দেহি এ ভয় ধরানো ভয়ের পুকা কবে যা’বো।শালাগো খায়ে কোন কাম নাই। লুকায় লুকায় আইসা নাকি বুহের পাঁজরে চাইপে বসে।কদিন ইডু কম ছিল। আবার কী মতো হইবো। ।তবু  কদিন  ইটু  হাপ ছাইরে  ছন্দর শ্বাস নিবের  পারতেছিলুম ,সে আশা নাই রে।  জীবনডারে তো আর আটকে রাহা যায় রে।অনেকদিন পর হরিবাসরের আসর বস-বো। তিনজন কম বয়সি পুলা দুই মাষ্টার মিলে নয় জনা।না হরিলুটের বাতাসা নাই ।আজ আর  নামগান কিছুই হইব না। দূরত্ব বজায় রাইখা ফাহায় ফাহায় বসে শুধু কথা কওন আর হুনা ।এহুন তো গরমে গরম। ভোটের ফট ফটানি শুরু হয়ে গেছে।শালাগো কী যে কমু ভাইডে ! হরিহর কাহা  হরেন -রে  কইলো ,তাহলে হুন এক বিপ্লবী নারীর কতা। তার নাম জারিনা বিবি । ওনার নাম কি হুনচো। হুনচ  নাই । তাহলে  হোন , হে দিন নেতাজি আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠনের লাইগা কোহিমা সীমান্ত বন্দর দিয়া পার হইব ।উহানে পাহারায় পুলিশ , ব্রিটিশ সেনা ।সেই রাতি  আমাগো নেতাজি জারিনা বিবির আশ্রয়ে। কি কমু তগো, মাইয়াডার অসীম সাহস । কি মনোবল তার । জারিনা কইল নেতাজি তোমারে আমি পার করুম । সে কি দেখতে রে ।ইস !এহেবাড়ে তরবরে‌ সরূপ সুন্দরী ।নীল পাড় শাড়ি আর লাল ব্লাউজ  পরা  যেন পরী ।যাতে কিনা সমস্ত দৃষ্টি তার বক্ষের উপর নিক্ষেপ হয় ।   সে রাতি  যহন পুলিশ সেনারা খাবার আসরে মদ্যপানে মশগুল ।তহন  জারিনা অলৌকিক ক্রিয়া সাধনে হাজির হইল। মেঘ না চাইতেই এ যেন পানি পড়ে। হগলে  মাতে ওঠে নাভি দেশের সৌন্দর্যে। জারিনা হাজির  হয়া  মাত্র  যেন আকাশ থেকে  চাঁদ  নেমে আসে ।জ্যোছনার মায়াবী রাতকে ছুঁতি চায় ।চায় আলিঙ্গন।  সেনা মনোরঞ্জনে  নিজেকে উজাড় করে নৃত্য জুড়ে দিলো ।মদ্যপ সেনারা  উর্বশী  নারীতে মাইতা উঠলো । দেহ পরশ নিতি ব্যস্ত। সে রাতি গৌরব বাঙালি  কোহিমা বন্দর দিয়া পার হইল অক্লেশে।  সেদিন যে অবদান জারিনা রাইখা গেছিলো তা আজও অনবদ্য।  বিরু  কইল তোমার পেডে এত জ্ঞাণ । কুন থেকে জানলা। হুন  হুন আরো কইব । ইডু  ক্ষুন   ঠাওর  হ  ।আরে কবের থাহ কাহা । কবের থাহ !পুরানো নোক চইলা গেলে জানুম কেমন কইরা।  দাঁড়া সবুর কর।বাথরুম পাইছে । সকলের মধ্যে উত্তেজনার পারদ বয়ে চলে। বাতাসি এক ধামা মুড়ি তেল  কাঁচালঙ্কা  মাইখা  নিয়ে আইচে । নামায় দিয়া কয় খাইয়া লও আজা ।

সমবয়সী জটাই রায় সরদারকে কইলো তুই এডাবার জুড়া দে ।  গ্রামঅঞ্চলের সজ্জন মোড়ল গোছের লোক ।এহন আর সেভাবে বাইরে বের হয় না । বর্তমান সময়ে সুস্থ মত অভিমত  মূল্যহীন । তাঁবেদারির  অসার শূন্য  গন্ড ভেক মেকি লোকদের থাইকা দূরে থাকা ভালো। কয়  আমি এডা  গল্প কতি চাই ।অনেক কথাই তো
হুনলাম ।এই তোরা বাঙালি নিয়ে গরর্ব করস না ।তাহলে হোন ননীবালা দেবীর কতা । নামটা তো কেউ কোনও  দিন শুনচ নাই। কেউ কয়ও নাই।  আমার জেডার কাছে হুনছি , জেডা বুঝলি ।সে নাকি এক  ইস্পাত নারী ।আমার কাছে এহুনকার   হুক্কা মারা   আঁতেল মার্কা মাতব্বরের কতা   কস না । হাওড়ার বালিতে তার জন্ম। বাবা সূর্যকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা গিড়িবালা  বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র এগারো বছর বয়সে বিয়ে । তহনো তার বোধগম্য হয় নাই ।তারপর ষলো বছর বয়সে বিধবা ।  তখনকার বিধবা মানে হশুর বাড়ির আতক সেদ্ধ  আলু সেদ্ধ জীবন। সেই মড়চে ধরা এহাবারে জলা জীবন।সেই নাগপাশ থাইকা  বাইরে এহেবারে বাপের বাড়ি ।সদ্য যুবতী নারীর শরীর তখন ঘামের নহবৎখানা। শরীর জুড়ে বইছে মেঘ বালিকা। আকাশ   চেয়ে উঁকি দেয় সাদা ছেঁড়া পেঁজা মেঘ। কিন্তু না শরীর মনকে তহুন আলাদা বাঁধনে বাইধ্যে  রাখতি হইব। ভাসে যায় নাই পরপুরুষে ।ইচ্ছা করলি পারতো আকাশজোড়া বক্ষদেশের হাতছানিতে ডুবে যাতি । না  শুধুই  না ।
দে -শে বিপ্লবের বাতাবরণ বইছে ।এই জীবনটা যদি দিতে পারি দেশের জন্যে।ভোগ বৃত্তের পরিধি থেকে ইটু দূরে ।ত্যাগের পথে  বয়ে নিয়ে যাতি চায় ননীবালাকে ।কোন কুলে বাঁধবে তার জীবন তরী । হেই ভাবনায় ডুব দেয়।ইয়ার অন্তরালের জাগে ওঠে স্বাধীনতার সংগ্রাম। হাতছানি দিতি থাহে।ভয়ডর নাই ।কামড়ে দিক না কোন বিষধর সাপ। একদিন ভাঙবো হেই দাঁত ।প্রতিজ্ঞা শপথ নেয় জীবন মরণে । আলাদা ঘর ভাড়া নিয়ে থাহা। লোকের বাড়ি ঘর মোছা বাসন মাজার কাজ। সে এক কঠিন জীবন রে ।বিপ্লবীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাহা। তাদের সঙ্গে গোপন তথ্য আদান-প্রদান।যারা  শুনছিল তারা  নিস্তব্ধতায় ডুবে গেছে। গায়ের লোম মেঘলা আকাশ ঝড়ো হাওয়ায় শিড়শিড় করে ।সব  বাকরুদ্ধ। শুনতাচি  এত বছর পর বালীতে এক কাজের মাসি ইস্পাত নারী ভোটে লরতাচে।

এহন তো হেলা খেলা কত বড় বড় মারদাঙ্গাতেও হেডা হয়ে যায় বিপ্লবী। ধর্মের নেশা অর্থের নেশা যৌন নেশার মাতব্বরি। মজুরের রক্ত নেশা আর কিচু বাদ নাই রে। জঙ্গল ধ্বংসের নেশায় এহুন প্রকৃতিও ডরায়  । কি কইমু । হালাগো নাক নজ্জা নাই  । দেহস না এহন  সুন্দর মুখ   ঢাহে রাখতাচে। দেহাতি ও লজ্জা পায়।সব প্রকৃতির খেলা  । প্রকৃতি-রে হেলা ফেলা করতি নাই।

এরে নবা মাস্টার, এডা কতা কোইবের পারস । কও দেহি ।এদেশে কিসের লগে এহুনও  যুদ্ধ হয়। কত টাহা   দিয়ে নাহি মিসাইল রসায়ন বোম আরো কত কি নাহি বানায় ।হ্যাঁ -রে  ওসব কিছু কি মানষ মারার লগে । শুনতেচিলাম মিছে মিছে যুদ্ধ  বানায়।সবই কী হিংসের জনে । হালা এডা জল খাওয়ার  কল হাতরাতি হয় । দেহস নাই মাইয়া মানসে কত কষ্টে কুঁইয়ে খোঁড়ে। মায়ের জল খাওয়ার লগে।এত টাহার ফট -ফডানি তো মহামারী রুহার কারো খেমটি নাই ।কি যে কমু ! এতো পারস তো  বিনা চিকিৎসায় চিৎকার কইরে গলা ফাডায় ফাডায় মরতাচে কেন।তগো হাসপাতালে সিট থাহে না।মা বুক চাপরাতি থাহে ।কেউ ছুবের ও যায় না! কাগেরও  অরুচি । হালা মনে হয়  দুডে বছর আগে মলে সনাতনে  হান্তি পাইতাম। হায়রে কী দিন যে  আইলো ?দেশের ছাওয়াল দেশে আসবার পারতাছে না।কি এহুন নাহি পরিযায়ী পখি হইচে । নাপতে  খগেণ কলো হুনলাম তোমার নাতি তেলু নাকি ওখানে বিয়া করচে। হ ‘এই কথাই তো কোবের  চাইছি ।ভালোবাসাও কেমনে পানসে হয়ে গেছে। উয়া তো আর ফ্রিজে আটকা রাহা যায় না।কতো দেহি  ও গিছে কামে ।ওহানে যায়া আবার  ভালোবাসচে।কি সমস্যা  ,  দুজনই এহন পরিযায়ী হইচে।দেশেগো তো কত দেহলাম।  মাইল পর মাইল হাঁইটা  ঘরে ফিরতি   মরতাচে ।দেশও দেখ -লো  কত কষ্টে মাইয়া বেটি বাচ্চা  হাঁটতাছে । এইতো দেশ ! আমরা তো চলে যাব আর কদিন! ইয়ার কি শান্তি কয়! শান্তিরও ক্ষয় হয়! কত পখি গাছ গরান শুধু  চায়া চায়া দেহে। কিছু কোবোর চায় ।উয়াগো  উদার ভালোবাসা আটকে পরে ।  বাতাসে মর্মর শব্দে গাছেরা স্মরণ করতি চায় । ভালোবাসা  সবি তো এ মাটির ফসল রে। সহজ  নিয়মে   চলতি চায়।দেশের ভালোবাসা কি আর মোরগ লড়াই রে? লড়ায় দিয়ে হয় না।জোড় করে বেঁধে ধরেও হয়না ।  রামপদ আর ওগাঁয়ের ওসমান  বোম্বে থেকে পায়ে হাঁটে ফেরছে।  উয়াগো কাজটা গেছে। আর পেটটা এহন পরাধীন হইচে ?

গৌরাঙ্গ এহন  গুঁসাই  সাজচে ।সে কলো আর কমু কি  কাহা ।আমরা তো কাপড় চোপর রং কইরা সাধুর  ভেক ধরছি। কিসের যে সাধু তাই এখনো টের পাইলাম না ।আজকে যা হুনলেম  তাতো বুক ফাইটে জল আসার জোগাড় হইছে ।সত্যিই কাহা আমরা মানুষ হতে পারলাম না ।শুধু দেহো নিজের সুহের জন্যে আপনার জগন্নাথ  করতিই দিন কাবার হইয়া গেল।বিডি  বিপ্লবী ননীবালা নিজেরে হারাটা  জীবন উৎসর্গ করলো দেশের জন্যে। মানষের জন্যে। নাড়ু  কইল এরপর কও কাহা ? শেষ তো করলা না ।তাহলে হন ,ননীবালাকে যহন বাংলার পুলিশ ব্রিটিশ পুলিশ খুঁজতে খুঁজতি হয়রান । তহন সগলের  চোহে ধুলে দিয়ে পেশোয়ারে চলে যায় ।অনেক চেষ্টার পর খোঁজ খবর কইরে তারে পেশোয়ার থেহে ধরে আনে। তারপর তারে কাশীর জেলখানায় ।সেই জেলের মধ্যি কি যে অত্যাচার ! তা কল্পনাও করা যায় না। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার  সুপারেন্টেন্ড তুয়াগো গরব  বাঙালি জিতেন ব্যানার্জি । শুরু হইলো তার ওপর অকথ্য অত্যাচার ।তোর সাথে আর কিডা কিডা আছে ‘ক ‘? না হলে তোর মারে  ফেলুন। মুখ থেয়ে  রক্ত বার হইল  ইলেকট্রিক শক দিলো ।  না ,এডা  কথাও বাড়ায় নাই । একেই কয় বিপ্লবী ।এরেই কয় ইস্পাত নারী। বুঝছিস! বুঝস নাই । তোরা খাওয়া -থায়ার জায়গাটাই ভাগ করতে পারস ।গরীব অনাথের মুহের খাওয়ার তাও চুরিতে পরানে বাধে না। হালা যত সব ভাত চোরের দল। দেশের সৎ লোক   চেনস নাই। দেশের লগে কত যুয়ান পুলা পরান দিচে । তার ইয়াত্তা নাই । আবারো দিবো।আবারও! নেতার কথা আমার কাচে কস না ।হালার পো হালা  -হারাম খোর জেতার পর দেহস না ঠাট বাট । নিজেই নিজের কাচে  বেচে।যেন বাপের পৈতিক হোমপত্তির  উজির বনচে।

ঘনাদা কইল হরি নাম কইরা মনডারে শান্তি পাওয়া যায়।ইয়ার মধ্যি দেশ ভক্তির বালাই নাই।বরং সাম্যভক্তি কিছুটা থাকলেও থাকতি পারে।কি আর কইমু,এহুনকার হালারা হরিডারে লইয়াও টান পারে।এহুনকার  পুলা পেপার পৈড়ে খবরা খবর না ছাই রাহে।  তারা তো পুড়ান ইতিহাস  জানার চেষ্টা করে না । দেহস না  মুঠেফোনে আঙ্গুল ঠেলতাসে  ।নিরন মাষ্টার বড় আক্ষেপ করে । স্মৃতিটা  হাতরায় । শেষ বার   মায়ের আঁচলার গন্ধ নেয়।  সঁবেদা গাছটা তাকায়ছিল  । আঁতুর ভূমি ফেলে চলে আসা ।মনের মনি কোঠায় যেন দম বন্ধ হয়ে সব হারায় যায়। ওরে !সে দেশ কি যে সুন্দর  ।খেতির পরেই ডুবা  নদী  শিলুপুকুর মতিঝিল ।রোদের চাদর বিছায় ধানের শীষ গুলে হাসতাছে। হায় রে পরান । সে পরাণের মধ্যিকার সব অল্প সল্ল বেদামি খেলনাপাতি গুলো দেখছিল । তাই ফেলে শুধু বাবার হাতটা ধরে  পলায় আসা। হেঁচরাতে ছেঁচরাতে কত কষ্টে হাঁটতে-হাঁটতে সেদিন গাংনাপুর বর্ডার পার হলাম। এখনো বুকের মধ্যে ডুকরে  কাঁইদে  ওঠে। নিজের দেশ ছাড়ার   সে কি কষ্ট ।এমন করেই কত দেশ-বিদেশের নিরপরাধ শিশুরা অনাথ  হয় ।কত হারায়ে যায় । আর আকাশের শূন্যতা বুকের মাঝে খাঁ -খাঁ করে । সেই শিশু একদিন বড় হয় ।শিক্ষা অশিক্ষায় বেকার হয়ে ভেরেন্ডা ভাজে। । কাম নাই দেশে গাঁয় । কত মায়ের নিরব কথা শুনতি পাস না ।কতজন রাতি না খাইয়া শুতি যায়।  বাঁচার জন্যে পার হতি , কাঁটাতারে ঝুলে যায় ছোট্ট মেয়ে  ফেলানি ।কেউ মনে রাখে না  । সবাই ভুলে যায়।শিশুর বুকের কান্না কেউ মনে রাহে না। শুধু  কাঁটাতার কাঁটা হয়ে বিঁধে যায়  শরীরে। সারা শরীর অন্তর জুড়ে বেদনা । সবাই যেন চুপ হয়ে যায় । নিরণ কয়  সমুদ্রপাড়ে উপুড় হয়ে পইড়া  আছে মারিয়াম এলান কুট্টি। কারো নজর নাই।ক্লান্ত মায়ে ছোট শিশু মানারে টানতাছে । টলি ব্যাগের উপরে উপুর হইয়া ঘুমায় গেছে ।  হ – হ সেদিন টিভিতে দ্যাখচি ।কি রে দেহস নাই ।মুজফফপুর ইস্টিশনপরে ছোডো রিনুর ডাহেও মারে উডাতে পারে নাই  ।আহা রে !মা আর খেলবো কেমন কইরা ।হে বিডি তো না খাইয়া কহুন স্বগে  গেচে ।  মাষ্টার কয় ।নজর নাইরে সিরিয়ার  তিন বছরের ডিসান   শিশুর আর্তনাদ । কেউ দেখতি পায়  না। শুধু কাঁটাতার নো মেনসন জিরো পয়েন্ট ভাগ করে দেয় সীমানা ।চরম দারিদ্রতাকে ভাগ করে দেয় ।আর ভাগ করে দেয় ছোট এটা পাড়া বসত  মানুষ ।মেহনতি মানুষ   এহন পরিযায়ী হইব। হ্যাঁ -রে মাষ্টার একদল মানষে কৈইতেছে তারাই নাহি এ সমাজ দেশ গড়ছে । বাংলাদেশের চট্টগ্ৰাম অস্ত্রগার এহুন কি আছে ? মাষ্টারদা সূর্যসেনের নাম কী আর হুনা যায়?কিচু ফোটকে নেতা আমাগো মুহের ভাষা চেক দেবার কয়। হ্যাঁ -রে তপনা দেশের সরকার নাহি  টেরেন পেলেন হাডে বসে বেচতাচে। ওসব তো হুনচি দেশের হম্পত্তি । এদেশে স্বাস্থ্য শিক্ষা নাই ।সাধারণের বাস বসার জায়গাও নাহি পঞ্জী বানায় ছাড়বো।কত বড় জায়গা ছোট হতি হতি এই বড় আকাশের নিচে আমাগো ভাষাও হারায় যায় । মায়ের ভাষা কতি ভয় করে। হ সত্যি কইতেছি ।  ‌প্রেম স্বপন  কত কিছুই হারায় যায়  ।না না  স্মৃতি  সরায় রাখতে বড় কষ্ট হয় রে।পরের প্রজন্ম কইতে পারে না । ইতিহাস কি ?সইতে সইতে থম মারে থাহে । ঘন বাতাস বুহের মধ্যি ওডা পড়া লাফডুব লাফডুব করে চলে  ।ইতিহাস ! ইতিহাস পড়াইবা না মাষ্টার ? তুমাগো ইছকুলের সত্যিকারের  ইতিহাস! এই এতো বড় দেশডার হতিহাস …

Facebook Comments

বাংলাদেশ সময়: ১:৫৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১

জাপানের প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নীরব-নিথর অবয়ব

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

চন্দ্রাবলী

১৬ নভেম্বর ২০২০

অনুগল্পঃ মানুষ

১০ ডিসেম্বর ২০২০

এডুকেশন

২৩ ডিসেম্বর ২০২০

চারাগাছ

২৬ জানুয়ারি ২০২১

স্বর্গ থেকে বিদায়

০৯ ডিসেম্বর ২০২০

কারিগর

২৪ জানুয়ারি ২০২১

বাটপার

১৩ আগস্ট ২০২০

নিশি মানব

২৫ জুন ২০২১

মালতি

২৫ জুলাই ২০২০